প্রচ্ছদ » মুক্তমত » বিস্তারিত

হাবিবুর রহমান মাসুদ বাবু

যাকে অনুভব করি শূন্যতায়, সে আমার ভাই

তারেক মাসুদ অন্য কেউ নয়

২০১৫ আগস্ট ২০ ১৮:৩২:২৪
যাকে অনুভব করি শূন্যতায়, সে আমার ভাই
তারেক মাসুদ অন্য কেউ নয়

চার বছর হল আমার ভাই তারেক মাসুদ নেই। যার প্রাণবন্ত আশাবাদী মুখ আমাদের প্রত্যাশাকে রঙিন স্বপ্ন দেখাত। ছেলেবেলায় যার কাছে সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, ঋতিক ঘটক, জীবনানন্দ দাশ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ আরও অনেক লেখক-কবি-সাহ্যিতিক-মনীষীদের নাম শুনেছি। বিছানায় শুয়ে গভীর রাত-অবধি গল্প শুনেছি পথের পাঁচালী, অপুর সংসারসহ বিখ্যাত সব চলচ্চিত্রের। বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি হলে গ্রামের বাড়ীতে আসামাত্র জমে উঠত তারেকভাইয়ের আড্ডা, ক্রিকেট খেলা, গান শোনা, পাড়ার সব বয়সী ছেলে-মেয়েরা যেন উৎসবে মেতে উঠত তারেকভাইয়ের সান্নিধ্যে। শুধু পরিবারেই নয়, আমাদের এলাকায় সর্বত্রই তারেকভাইয়া খুব জনপ্রিয় ছিলেন। প্রিয় এই মানুষটিকে হারিয়ে দেশের কতটা ক্ষতি হয়েছে জানি না, কিন্তু আমাদের পরিবার হয়েছে অভিভাবকহীন। যে শূন্যতা শুধু অনুভবের বাস্তবতা দেখে তা অনুমান করা যাবে না— আমরা কতটা অসহায়-নিরুপায় শূন্যতায় ভাসছি। আমাদের সব আকাঙ্ক্ষা বা প্রত্যাশা পিতৃতুল্য ভাইয়ের অর্থের কাছে নয়, ভালবাসার কাছে বড় বেশী নির্ভরশীল ছিল। যা প্রকৃতই মেনে নিতে পারেনি— কাউকে না জানিয়ে আমার প্রিয় ভাই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। ফিরে না আসার বেদনার চেয়ে তাঁর মৃত্যু-কষ্ট এবং তাঁর বেঁচে থাকার প্রয়োজন আমি বেশী অনুভব করি। প্রকৃতির কোনো কোনো অঘটন যেমন মেনে নেওয়া যায় না, আবার মনেও নেওয়ায় না।

১৩ আগস্ট, ২০১১ ‘কাগজের ফুল’ চলচ্চিত্রের স্যুটিং লোকেশন পরিদর্শন শেষে মানিকগঞ্জ থেকে বাসায় ফেরার পথে না-ফেরার দেশে চলে গেছে আমার প্রিয় ভাই তারেক মাসুদ। এটা দুর্ঘটনা না হত্যা? —কোনোটাই মেনে নিতে পারেনি আমাদের পরিবার এবং গোটা দেশ-জাতি। তারেকভাইয়ের শূন্যতা তাঁকে না দেখার যন্ত্রণা, না পাওয়ার বেদনা রীতিমত আমার জীবনকে আলাদা করে দিয়েছে। মাঝে মাঝে নয়— সবসময়ই মনে হয় বেঁচে থাকাটা অর্থহীন, জীবনটা উপভোগ্যহীন, তবু অতৃপ্ত যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে আছি। তারেকভাইয়ের না ফেরার বেদনা কষ্ট আমার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। তাঁর সব স্মৃতি আমার কাছে অম্লান, মোটেও ভুলা যায় না কারণ তারেকভাইয়াকে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি, বুঝেছি— আবার না-বুঝে অনেক যন্ত্রণাও দিয়েছি। আমার দেওয়া সব যন্ত্রণা মেনে নিয়েছেন কখনই সে যন্ত্রণা ফিরিয়ে দেয়নি বরং— ভালবাসা দিয়ে আমাকে সংশোধন করার চেষ্টা করেছেন। তারেকভাইয়ের কাছে আমি চিরঋণী; তাঁর ঋণের দায় পরিশোধের কোনো উপায় নেই, তাই এক ধরনের অপরাধবোধ অনুশোচনা নিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছি।

আমার ভাই তারেক মাসুদ অনেক অতৃপ্ত বাসনা স্বপ্ন-দুঃস্বপ্ন এবং কঠিন বাস্তবতাকে মনে ধারণ করে অভিমানে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। তাঁর অভিমান কী ছিল তা কেউ জানে না— কারণ মানুষের জানার-বুঝার আগ্রহ সীমাবদ্ধ, কিছু স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান বাস্তবায়নের ভেতর প্রলুব্ধ। তারেক মাসুদ জীবনকে উপভোগ করতেন পরিবার-পরিজন নিয়ে, আমরা তার স্বপ্ন এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের একটি অংশ ছিলাম— এটা ভীষণ সত্য। কিন্তু এক ধরনের সীমাবদ্ধতা তাঁকে নিস্তেজ করে দিতে চাইত— তবু এ সব সীমাবদ্ধতার ভেতর দিয়ে আমরা সবসময় উপলদ্ধি করতাম—আমার একজন ভাই আছে, সে পিতার মতো বটবৃক্ষ, আমাদের পরিবারের কর্ণধার। ভাইয়ের-বোনের সমস্ত পরিবারের সকল সমস্যা সংকটের তারেকভাইয়া ছিলেন শেষ সম্বল— যেন দেবদূত্রে মতো। আজ তারেকভাইয়ের শূন্যতা ভীষণভাবে অনুভব করি কঠিন বাস্তবতায়।

আমাদের পরিবার-পরিজনের পথপ্রদর্শক ছিল তারেকভাইয়া, একজন আলোকিত মানুষ যাঁর আলোতে সুপথ খুঁজে পেতাম—চিন্তামুক্ত হয়ে ধাবিত হতাম ভবিষ্যতের পথে। বাবার ভালবাসা স্নেহ মমতায় আমরা সমৃদ্ধ ছিলাম তবু তারেকভাইয়া আমাদের পাশে শুধু নয়, জীবনের প্রতিটি প্রয়োজনে ছিল পিতার মতো। আমাদের জীবনধারণের সমস্ত বাধা পেরুবার উপায় বা সমস্যা সমাধান সবই যেন ছিল তারেকভাইয়ের জানা। তারেকভাইয়া নেই তবু তার দেওয়া দান বর্তমানেও গ্রহণ করছি, আমার সীমাবদ্ধতা আছে বলে— এটা ক্যাথরিন মাসুদের উদারতা। আর ক্যাথরিন আছে বলেই, তারেকভাইয়ের রেখে যাওয়া সকল সম্পত্তি তার নিয়ন্ত্রণে নিরাপদ। আমরা মনে করি তারেকভাইয়া নেই ক্যাথরিন তো আছেন—ক্যাথরিনের কাছেই আমরা সমর্পিত।

স্ব-স্ব-ক্ষেত্রে আমরা সীমিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হলেও পারিবারিক জীবন এবং জীবিকার অন্বেষণে আমাদের প্রত্যেকের স্বাছন্দ্যে পথচলার প্রথম ও প্রধানতম অবলম্বন ছিল আমার ভাই তারেক মাসুদ— অন্য কেউ নয়। আমাদের পাশে কেউ নেই এ কথা বললে— যারা তারেক মাসুদকে নিয়ে কাজ করছে গবেষণা করছে বা তারেক মাসুদের স্মৃতিচারণ নিয়ে ব্যস্ত তাদের বিশালতা নষ্ট হবে। তারেকভাইয়ের পাওয়া ২১শে পদকটি আমার মা হয়ত এখনো হাতে ধরে দেখেনি। তারেক মাসুদের মায়ের লোভ ২১শে পদকের প্রতি নয়, ছেলের রেখে যাওয়া অর্থের দিকে নয়, তিনি চান তারেক মাসুদের সমাধীর উন্নয়ন হউক-সংস্কার হউক। তারেক মাসুদের অবহেলিত সমাধী অন্ধকারে না থাকে। অচিরেই যেন আলোকিত হয় প্রিয় সন্তানের সমাধী-প্রাঙ্গণ। বর্তমান সরকারের কাছে তারেক মাসুদের মায়ের, এলাকাবাসী ও দেশবাসীর এটাই প্রত্যাশা।

তারেক মাসুদের জীবনের উত্থানের সূত্র বা ইতিহাস সিনেমার গল্পের মতো রঙিন এ কথাটি যেমন সত্য, তেমনি এর-ভেতরও রহস্য ছিল জীবন ও বাস্তবতা বিনিময়ে সে কতটা সুখী-সমৃদ্ধ ছিল। পরিবারের ভাই-বোন-ভাস্তি-ভাগ্নি এমন কি পাড়া-প্রতিবেশীসহ সবাই তাঁর কাছে নির্ভরশীল হয়েছিলেন— শুধু ভালবাসা বিনিময়ে। বলা যায়, তারেকভাইয়ের উপর নির্ভরশীলতা ছিল আমাদের সবার স্বভাব-সুলভ অভ্যাস। নিজের কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে সব সময় সব কিছু ইচ্ছা-চাহিদা মতো করতে পারেনি, কারণ অদৃশ্য একটি সীমাবদ্ধতা তারেকভাইকে কষ্ট দিত। কখনো কখনো আমার মনে হতো তারেকভাইয়ের জীবনযাপন এক ধরনের অদৃশ্য চুক্তিতে সীমাবদ্ধ। বুঝতে অসুবিধা হতো না— নানা কর্ম-পরিকল্পনার ভেতর, আমাদের পরিবার ছিল— তারেকভাইয়ের ভাবনা বা স্বপ্নের আর একটি অংশ। সেক্ষেত্রে তারেকভাইয়ের অনেক স্বপ্ন-পরিকল্পনা লোভে-লাভে বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চলছে— যেখানে আমাদের স্থান খুঁজে নিতে হয়। তারেকভাইয়ের মতোই আমরা সহজ-সরল, তাই সব ধরনের সুবিধা থেকে আমরা বঞ্চিত-অবহেলিত। তাইতো কঠিন বাস্তবতায় সর্বক্ষণ অনুভব করি তারেকভাইয়ের শূন্যতা। তারেকভাই অর্থ সম্পদ কী রেখেছে জানি না! জানার লোভ-আগ্রহ চেষ্টা কোনোটাই নেই। তবে যে ঐশ্বর্য-উত্তরাধিকার তার সন্তান নিশাদ সেও কাগজ-কলমে আমাদের কাছ থেকে অনেক দূরে— বিংহাম পুত্রা নিশাদ মাসুদ শুধুমাত্র মায়ের সন্তান।

তারেক মাসুদের কিছু অর্থ-সম্পত্তি নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে তারেক মাসুদ মেমোরিয়াল ট্রাস্ট যার চেয়ারপারসন তারেক মাসুদের স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদ। তারেক মাসুদ মেমোরিয়াল ট্রাস্টে দান করে দিয়েছি আমাদের ভিটে মাটি বা শেষ জীবনে বসবাসের জায়গাটুকু কিন্তু এই ট্রাস্টি বোর্ডে সামান্য সদস্য হওযার যোগ্যতা অর্জন করতে পারিনি! এই বিষয়টি নিয়ে আমার কোনো হতাশা নেই, কষ্ট নেই, আছে অবহেলা বা অসম্মানের প্রতি অনুরাগ। তারেক মাসুদ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের পাশাপাশি আমরা ক’জন তারেক মাসুদের স্বপ্ন-স্মৃতি ধরে রাখার আকাঙ্ক্ষায় গড়ে ‘তুলেছি তারেক মাসুদ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ নামে একটি সংগঠন। তারেক মাসুদ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র-এর প্রধান উপদেষ্টা ক্যাথরিন মাসুদ আর প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি আমি হাবিবুর রহমান মাসুদ বাবু। কিন্তু যে উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যে তারেক মাসুদ মেমোরিয়াল ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠিত সে ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের দায়ভার বা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হলে আমরা কৃতজ্ঞ হব। কারণ প্রায় প্রতিদিনই তারেক মাসুদের সমাধী-প্রাঙ্গণে দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে কিন্তু সমাধী-প্রাঙ্গণ দেখে দর্শনার্থীরা ভীষণ হতাশ হন।

সংস্কৃতি-বান্ধব এ সরকারের কাছে আমাদের নিবেদন দ্রুত, দেশপ্রেমিক এই মানুষটির সমাধী এবং সমাধীতে আসার পথ বা সড়কটি দর্শনার্থীদের জন্য সংস্কার ও উন্নত হয়। সরকারের স্থানীয় প্রতিনিধিরা গত ৩ বছরে তারেক মাসুদের সমাধীতে যাওয়ার সড়কটি মেরামত করেননি। এটা তারেক মাসুদের প্রতি এবং তার পরিবারের প্রতি অবহেলা ছাড়া আর কি! বর্তমান পৌর মেয়র মহোদয়ের নিজ বাড়ীর প্রাঙ্গণ দেখামাত্র বোঝা যায়ে— তাদের কাছে আমরা কতটা অবহেলিত, বঞ্চিত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় তারা কতটা বিশ্বাসী, ইতিহাসের পাতায় না গিয়ে তারেক মাসুদের সমাধীতে আসার ভাঙ্গাচোড়া সড়কটি দেখলেই তা অনুমান যোগ্য।

তারেক মাসুদ নেই তার প্রতি ভালবাসা শ্রদ্ধা এবং তার স্মৃতিকে প্রাণোজ্জ্বল রাখার প্রচেষ্টায় এবং তার স্বপ্নকে বাস্তবায়নের প্রত্যাশায় গড়ে তুলা হয়েছে তারেক মাসুদ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। শুধুমাত্র ভাই হিসেবে নয় একজন সাংস্কৃতিক কর্মী, একজন সমাজসেবক হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি তারেক মাসুদ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। দু’বছরের পথ-পরিক্রমায় দেশজ সংস্কৃতির চর্চার পাশাশাশি আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক সাথে মেলবন্ধনের প্রচেষ্টায় আমরা একটি সাংস্কৃতিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। থিয়েটার কার্যক্রম দিয়ে আমাদের পথচলা শুরু হলেও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন মাধ্যমের চর্চা, অনুশীলন এবং শিশু-কিশোরদের মেধা বিকাশে আবৃত্তি, অভিনয়, নাটক, থিয়েটার, চলচ্চিত্র, চিত্রাংকন, নৃত্য, সংগীত, সাহিত্য চর্চা ও প্রশিক্ষণসহ প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন আমাদের লক্ষ্য। শৈশব থেকেই প্রতিটি শিশুকে একজন সৎ-নিষ্ঠাবান এবং দেশপ্রেমিক মেধাবী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের উদ্দেশ্য। ঢাকা থেকে কার্যক্রম শুরু হলেও আমরা এই কার্যক্রম দেশব্যাপী পরিচালনা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। তারেক মাসুদের জন্মস্থান ভাংগা উপজেলায় প্রথম শাখা এবং ঢাকা মহানগরীতে সাংস্কৃতিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম অচিরেই শুরু হতে যাচ্ছে, ময়মনসিংহেও ‘তারেক মাসুদ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র‘প্রাথমিক পর্যায়ের’ শাখা প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। এক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি সাহায্যসহ সকলের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা প্রয়োজন। আমরা তারেক মাসুদকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই আমাদের কার্যক্রমের ভেতর দিয়ে— এ ক্ষেত্রে ক্যাথরিন মাসুদ হতে পারে আমাদের অনুপ্রেরণা এবং আমরা হতে পারি তার অনুগামী। তারেক মাসুদের স্ত্রী হিসেবে ক্যাথরিনের পাশে আমরা থাকতে চাই সবসময়। তারেক মাসুদ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের একটি অংগ সংগঠন হিসেবে কাজ করতে আমাদের কোনো দ্বিধা নেই। আমাদের মূল লক্ষ্য আমাদের কাজের ভেতর দিয়ে তারেক মাসুদকে বাঁচিয়ে রাখা। আমাদের বিশ্বাস ক্যাথরিনের হাতের স্পর্শে শুধু আমাদের পরিবার-পরিজন নয়— তারেক মাসুদের স্বপ্ন ও শেষ ইচ্ছা ‘কাগজের ফুল’ চলচ্চিত্রটি একদিন কাগজের ফুল থাকবে না জীবন্ত ফুল হয়ে ফুটবে। তারেক মাসুদের অভাবে আমাদের সকলের শূন্যতা-প্রত্যাশা যেন ক্যাথরিন মাসুদ পূরণ করতে পারেন। এই শক্তি সাহস যোগানের জন্য আমরা আছি-থাকব। কোটি জনতা ক্যাথরিনের পাশে থাকবে।

লেখক : তারেক মাসুদের সহোদর ও সাংস্কৃতিক সংগঠক