প্রচ্ছদ » সম্পাদকীয় » বিস্তারিত

ডাকাতি মামলায় পুলিশের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী

২০১৫ সেপ্টেম্বর ২৪ ০০:০০:১৪

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের কমতি নেই কখনোই। এই সব অভিযোগের কারণে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার নজিরও কম নয়। এছাড়া ফৌজদারি অপরাধের দায়ে পুলিশ সদস্যদের শাস্তি ভোগ করার ঘটনাও রয়েছে। অসীম ক্ষমতার অধিকারী এই বাহিনীর শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যেমন তেমনি দেশের প্রচলিত আইন ভঙ্গের দায়ে পুলিশ সদস্যদের চাকরিচ্যুতির ঘটনাও কম নয়। আবার সব অপরাধের কারণেই যে পুলিশ সদস্যদের শাস্তি ভোগ করতে হয় তাও নয়।

সম্প্রতি ঢাকায় কর্মরত তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগে মামলা হয়েছে

এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের এই তিন সদস্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীও দিয়েছেন।

বুধবার তাদের আদালতে হাজির করে জবানবন্দী গ্রহণের জন্য আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জবানবন্দী গ্রহণ করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কুমিল্লার ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে চারটি মোবাইল সেট, এক শ’ গ্রাম স্বর্ণ ও দুই লাখ বিশ হাজার টাকা আসামিরা নিয়ে যায় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

যেহেতু তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ডাকাতির মামলা হয়েছে, সেহেতু অন্য ডাকাতি মামলার সাথে এই মামলার গুণগত পার্থক্য থাকার কথা। কিন্তু ফৌজদারি মামলার বিধি মোতাবেক তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কিভাবে ডাকাতির অভিযোগ আনা হলো তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমাদের আশঙ্কা আসামিরা যতই স্বীকারোক্তি দিক না কেন আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণে বাদীপক্ষকে হোঁচট খেতে হবে। এটা অভিযোগকারীর ত্রুটি না পুলিশের অজ্ঞতা তা আমরা জানি না। যা-ই হোক পুলিশ যে তার নিজের সদস্যদের বিরুদ্ধে ডাকাতির মামলা নিয়েছে সেটাও তো কম নয়।