প্রচ্ছদ » সম্পাদকীয় » বিস্তারিত

ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর ঈদুল আজহা

২০১৫ সেপ্টেম্বর ২৪ ২২:২৮:০৪

ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা, যাকে এদেশের মানুষ কোরবানীর ঈদ বলে থাকে। আল্লাহর নেয়া মহা পরীক্ষায় নবী হজরত ইব্রাহিম ও তার শিশু পুত্র হজরত ইসমাইলের উত্তীর্ন হওয়া থেকেই হালাল পশু কোরবানীর বিধান চলে আসছে। আল্লাহর হুকুমে ইসলামের শেষ নবী হজরত মোহাম্মদ(সাঃ) এটিকে বহাল রাখেন। এটি মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব।

তবে ইসলামের কোন উৎসবই শুধু উৎসব নয়। ঈদুল আযহার বেলায়ও তা একই ভাবে প্রযোজ্য। কোরবানীর সাথে সাথে ঈদের জামাতকেও সমান গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। করা হয়েছে ওয়াজেব। আল-কোরয়ানের সুরা কাওসারে বলা হয়েছে, ‘অতএব তোমার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামাজ পড় এবং কোরবানী কর।’ সুরা হজে বলা হয়েছে, ‘কোরবানী করার পশু মানুষের জন্য কল্যাণের নির্দেশনা।’ কোরবানীকে এড়িয়ে যাবার সুযোগ নেই। সামর্থ্যবান মুসলমানকে নিজের অথবা নিজের আপনজনের জীবনের সদকা হিসেবে আল্লাহর নামে হালাল পশু কোরবানী করে তার গোস্ত নির্দিষ্ট নিয়মে বিলি-বণ্টন করতে হবে। এর মধ্যে আত্মীয়স্বজন এবং গরীব মানুষের হক রয়েছে। কোরবানীদাতাকে সে হক ঠিক মত পালন করতে হবে। আল্লাহ বলেছেন, কোরবানীর গোস্ত বা কোরবানী করা পশুর রক্ত তার কাছে পৌছায় না, পৌছায় কোরবানীকারীর তাকওয়া। তাই বলা যায় নবী হজরত ইব্রাহিমের মত পুত্র কোরবানী দেওয়ার অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ন হতে না হলেও কোরবানীদাতাকে তার তাকওয়ার পরীক্ষায় অবশ্যই উত্তীর্ন হতে হবে। তাহলেই কোরবানী দেওয়া সার্থক হবে।