প্রচ্ছদ » অর্থ ও বাণিজ্য » বিস্তারিত

ট্রেড ইউনিয়নের নিবন্ধন দিচ্ছেন না রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নস

২০১৫ অক্টোবর ১৬ ১৩:৪১:৩৪
ট্রেড ইউনিয়নের নিবন্ধন দিচ্ছেন না রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নস

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক: তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়নের নিবন্ধন আবেদন ঢাকা বিভাগের রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নস অযৌক্তিক কারণে প্রত্যাখ্যান করছেন বলে অভিযোগ করেছে একটি শ্রমিক সংগঠন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ব্রিফিংকক্ষে শুক্রবার সকালে গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতি ফেডারেশন নামের সংগঠনটি সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করে। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি স্মৃতি আক্তার এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

এ সময় বাংলাদেশ গার্মেন্টস এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি বাবুল আক্তার, একতা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি কামরুল হাসান, জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাথী আক্তার উপস্থিত ছিলেন। এ সময় রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত ঢাকা ডাইং নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিকও উপস্থিত ছিলেন।

এই কারখানার শ্রমিকদের ইউনিয়ন নিবন্ধনের আবেদন ঢাকা বিভাগের রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নস দু’বার প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। তৃতীয়বার তারা আবেদন করে অনুমোদনের অপেক্ষা করছেন বলে জানান স্মৃতি আক্তার।

স্মৃতি আক্তারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাবুল আক্তার। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে যিনি ঢাকা বিভাগের রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নস পদে নিযুক্ত আছেন এই কর্মকর্তা নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে ইউনিয়নের নিবন্ধন দেওয়া অনেক কমে গেছে। অধিকাংশ ইউনিয়ন যথাযথভাবে গঠিত হওয়া সত্ত্বেও আমিনুল হক নামের এই কর্মকর্তা অযৌক্তিক কারণে নিবন্ধন আবেদন প্রত্যাখ্যান করছেন।’

স্মৃতি আক্তারকে ঢাকা ডাইংয়ের ইউনিয়ন নিবন্ধনের আবেদন প্রত্যাহারের জন্য ওই কর্মকর্তা ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে চেয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন বাবুল আক্তার।

তবে এই স্মৃতি আক্তারের সংগঠনের ব্যানারে অপর দুটি কারখানার ইউনিয়নের নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

কামরুল হাসান বলেন, ‘আমার সংগঠনের ১৯টি ইউনিয়নের নিবন্ধন পেয়েছি। আর ৬টি সংগঠনের নিবন্ধন দেননি ঢাকা বিভাগের রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নস। এ জন্য আমার কাছে ঘুষ দাবি করা হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১০ সাল থেকে চলতি বছরের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে ৩২৫টি ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন পেয়েছে। এ সময়ে সারাদেশের ১৪৮টি আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে ৪৮টি।

(দ্য রিপোর্ট/টিএস/সিজি/এজেড/অক্টোবর ১৬, ২০১৫)