প্রচ্ছদ » শিল্প ও সংস্কৃতি » বিস্তারিত

আলো আর নাচের অপরূপ ব্যঞ্জনায় দেবী নিবাস

২০১৫ অক্টোবর ১৬ ২২:১৩:৪২
আলো আর নাচের অপরূপ ব্যঞ্জনায় দেবী নিবাস

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : নাচের মুদ্রা এবং আলোর খেলার জমকালো ও নান্দনিক আবহে নতুন সাজে সাজলো পুরান ঢাকার ফরাশগঞ্জের দেবী নিবাস। একদিকে নাচের দোলায় দুলছে দেবী নিবাস, অন্যদিকে লাইটিংয়ের মুগ্ধতায় বিমোহিত দর্শকরা।

‘পুরান ঢাকা আলোকায়ন-পাদপ্রদীপে ঐতিহ্য’ শীর্ষক এ আয়োজনে দেবী নিবাসকে শুক্রবার আলোকায়িত করেন ফ্রান্স ও জার্মানির দুই আলোকশিল্পী ক্রিস্টফ ব্রুয়াস ও ফিলিপ গাইস্ট। সন্ধ্যায় শুরু হয়ে এ আয়োজন চলে দীর্ঘক্ষণ।

আলোকায়নের পাশাপাশি ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। সাক্সোফোন আর বাঁশি বাজিয়ে শোনান রাহিন হায়দার। শাস্ত্রীয় নৃত্য পরিবেশন করেন স্নাতা শাহরিন ও তার দল। সঙ্গে আরও ছিল পুরান ঢাকার ভবনগুলোর নতুন রূপের সম্ভাব্য আলোকচিত্র।

পুরান ঢাকার সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ, ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত ও ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনগুলোকে সংরক্ষণে তাগিদে আলোকায়নের এ আয়োজন করে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা, গ্যেটে ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ এবং আরবান স্টাডি গ্রুপ (ইউএসজি)।

এর আগে, সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ফরাসী দূতাবাসের উপপ্রধান জঁ পিয়ের পোন্সে এবং জার্মান দূতাবাসের উপপ্রধান ড. ফার্দিনান্ড ফন ভাইয়ে।

উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুরু হয় আলোকায়নের আয়োজন। প্রথমেই চারপাশের আলো নিভিয়ে শুরু হয় আয়োজন। উনিশ শতকের এক জমিদার দ্বারা ভবনটির বিভিন্ন স্থানে আলো প্রক্ষেপণ করা হয়। নিওক্লাসিক্যাল ধারায় নির্মিত ভবনটির নানা অংশে ছিল আলোর আয়োজন। দুই তলা সুরম্য ভবনটি জুড়েই ছিলো আলোর খেলা।

শনিবারও চলবে দুইদিনব্যাপী এ আলোকায়ন।

প্রসঙ্গত, অনুষ্ঠানের আংশিক আর্থিক সহযোগিতা দেয় ফ্রাঙ্কো-জার্মান ফান্ড। সহযোগিতায় ছিল সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।

(দ্য রিপোর্ট/এমএ/এমএআর/এনআই/অক্টোবর ১৬, ২০১৫)