প্রচ্ছদ » রাজনীতি » বিস্তারিত

উপ-নির্বাচন : কাদের সিদ্দিকীর আপিলের রায় বিকেলে

২০১৫ অক্টোবর ১৮ ১৩:২৭:১৯
উপ-নির্বাচন : কাদের সিদ্দিকীর আপিলের রায় বিকেলে

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। এ ব্যাপারে বিকেল ৫টায় রায় দেবে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে রবিবার বেলা ১১টায় ঘণ্টাব্যাপী এই শুনানি শুরু হয়। এর পর তার স্ত্রী নাসরিন সিদ্দিকীর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ, আবু হাফিজ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী, মো. আবদুল মোবারক, ইসি সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, ইসির অতিরিক্ত সচিব মোকলেসুর রহমান, উপ-সচিব মো. মহসিনুল হক ছাড়াও অন্য শাখার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া কাদের সিদ্দিকী ও নাসরিন সিদ্দিকীও তাদের শুনানিতে অংশ নেন। তাদের সহায়তা করেন এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম ও মাহবুব হাসান রানা।

দলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে কাদের সিদ্দিকী ও নাসরিন সিদ্দিকীর পক্ষে আপিল করেন ইকবাল সিদ্দিকী।

আপিলের সঙ্গে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে দেওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি কারণ দর্শানোর নোটিশও সংযুক্ত করা হয়েছে। ওই নোটিশে কেন কাদের সিদ্দিকীর নাম ঋণখেলাপীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হল, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এ সময় দলের কেন্দ্রীয় নেতা ফরিদ আহমেদ, এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম ও ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক রিফাতুল ইসলাম দীপ উপস্থিত ছিলেন।

কাদের সিদ্দিকী ও তার স্ত্রী নাসরিন কাদের সিদ্দিকীসহ চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।

উপ-নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) নির্বাচন কমিশনে জানিয়েছে, কাদের সিদ্দিকীর প্রতিষ্ঠান সোনার বাংলা প্রকৌশলী সংস্থার নামে অগ্রণী ব্যাংকের ১০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে। কাদের সিদ্দিকী এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এবং নাসরিন কাদের সিদ্দিকী পরিচালক। ওই ঋণখেলাপী হওয়ায় তাদের দু’জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দলীয় মনোনয়নের চিঠি না দেওয়ায় জাতীয় পার্টির (এরশাদ) প্রার্থী সৈয়দ মোস্তাক হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন যথাযথভাবে না থাকায় বাতিল করা হয় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল আলীমের মনোনয়নপত্র।

যাচাই-বাছাই করে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ইকবাল সিদ্দিকী ও হাসমত আলী, জাতীয় পার্টির (মঞ্জু) সাদেক সিদ্দিকী, বিএনএফের আতাউর রহমান খান এবং এনপিপির ইমরুল কায়েসের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। ১০ নভেম্বর উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

(দ্য রিপোর্ট/এনএস/এইচএইচ/এজেড/অক্টোবর ১৮, ২০১৫)