প্রচ্ছদ » ক্রিকেট » বিস্তারিত

শিগগিরই ফিরছেন রুবেল-তাসকিন

২০১৫ অক্টোবর ১৮ ২০:৩২:৫৩
শিগগিরই ফিরছেন রুবেল-তাসকিন

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : পেসার আর ইনজুরি এই ‍দুটি সমার্থক শব্দ; চাইলে অভিধানে যোগ করে দেওয়া যেতে পারে। বাংলাদেশের পেসাররা একটু বেশিই যেন ইনজুরি আক্রান্ত হন। সর্বশেষ ইনজুরির সঙ্গে লড়ছেন জাতীয় দলের পেসার রুবেল হোসেন ও তাসকিন আহমেদ। তবে আশার কথা ২ জন খুব শিগগিরই মাঠে ফিরছেন।

সাইড স্ট্রেইন সমস্যার কারণে ‘এ’ দলের ভারত সফরের মাঝপথে দেশে ফিরিয়ে আনা হয় তাসকিনকে। আর রুবেল ভুগছেন পায়ের মাংসপেশীর ইনজুরিতে। আগামী ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে ২ জনই ইনজুরি কাটিয়ে সেরে উঠবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় দলের ফিজিও বায়জেদুল ইসলাম খান।

দুই পেসারের ইনজুরি প্রসঙ্গে রবিবার মিরপুরে তিনি বলেছেন, ‘পায়ের মাংসপেশীর সমস্যায় ভুগছেন রুবেল। দ্বিতীয় গ্রেডের এ সমস্যা থেকে সেরে উঠতে সাধারণত ৪-৬ সপ্তাহ সময় লাগে। এর মধ্যেই রুবেল ৩ সপ্তাহ কাটিয়ে ফেলেছেন। তার অবস্থার বেশ উন্নতি হয়েছে। এর মধ্যে রানিংও শুরু করে দিয়েছে। জিম্বাবুয়ে সিরিজের আগেই আশা করি রুবেল ফিট হয়ে যাবে। তবে তাসকিনকে হয়তো আরও একটু অপেক্ষা করতে হবে।’

কিছুদিন যাবত রানিং করছেন রুবেল। তিনি নিজের সুস্থতা নিয়ে আশাবাদী। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফেরার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। ফিজিও যেভাবে পরিকল্পনা করে দিয়েছে, সেভাবে কাজ করছি। জিম্বাবুয়ে সিরিজে খেলতে পারব কিনা জানি না। এখনো কিছুটা ব্যথা আছে। তবে চেষ্টা করছি। দ্রুত সেরে উঠতে যা যা করা দরকার সবই করছি।’

রুবেল জিম্বাবুয়ে সিরিজ নিয়ে আশাবাদী থাকলেও তাসকিন তাকিয়ে আছেন বিপিএলের দিকে। দেশের সবচেয়ে আলোচিত এই ঘরোয়া আসরের আগে নিজেকে ফিট করতে চান তাসকিন। ফিট হয়ে যদি সম্ভব হয় তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টোয়েন্টি২০ ম্যাচও খেলতে চান তিনি।

তাসকিন বলেছেন, ‘ইনজুরির কারণে শেষ আন্তর্জাতিক সিরিজটি খেলতে পারিনি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজটি খেলতে না পারলেও সেটা আমার জন্য দুঃখজনক হবে। তবে এই ২টি সিরিজই নিশ্চয়ই জীবনের সবকিছু না। একজন পেসারের জন্য সুস্থ হয়ে উঠাটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমি সেদিকেই নজর দিচ্ছি।’

মঙ্গলবার বোলিং শুরু করবেন দ্রুতগতির এই পেসার। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘পরশু (মঙ্গলবার) থেকে বোলিং শুরু হবে। বোলিং শুরু করার পর আস্তে আস্তে বোলিংয়ের শক্তি বাড়বে। আর এটা যতো বাড়বে কাজের পরিধিও উঁচুতে যাবে।’

(দ্য রিপোর্ট/আরআই/কেআই/সা/অক্টোবর ১৮, ২০১৫)