প্রচ্ছদ » এই দিনে » বিস্তারিত

সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর

২০১৫ অক্টোবর ১৯ ০০:০০:৫৮
সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক : ১৯৮৩ সালে তারার বিবর্তন ও জীবন চক্র সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক আবিষ্কারের জন্য উইলিয়াম আলফ্রেড ফাউলারের সঙ্গে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখরকে। তারার বিবর্তন বিষয়ে তার আবিষ্কৃত বিষয়টির নাম ‘চন্দ্রশেখর সীমা’। বিখ্যাত এ জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী ১৯১০ সালের এ দিনে (১৯ অক্টোবর) ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবে জন্মগ্রহণ করেন।

চন্দ্রশেখর এক তামিল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পড়াশোনার জন্য উনিশ বছর বয়সে যুক্তরাজ্যে যান। জীবনের বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রে কাটান। তিনি মাদ্রাজের প্রেসিডেন্সি কলেজ পড়া শেষে কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে যান। সেখানে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা শেষে একটি ফেলোশিপও পান। তিনি পেশা জীবনে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। এ ছাড়া ইয়াকেস অবজারভেটরিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ‘দ্য অস্ট্রোফিজিক্স জার্নাল’ সম্পাদনা করেন। জীবদ্দশায় তাত্ত্বিক, গণিতবিদ, শিক্ষক, গবেষণা উপদেষ্টা, সম্পাদক, বিজ্ঞানের ইতিহাসবিদ ও গল্পকথক হিসেবে জগদ্বিখ্যাত হয়ে উঠেন।

তার সবচেয়ে বিখ্যাত তত্ত্ব হল ‘চন্দ্রশেখর সীমা’। সেখানে বলা হয়, স্থিতিশীল শীতল শ্বেত বামন তারকার সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ভর। আর এই ভরের মান ১.৪১ সৌরভরের সমান। এই পর্যায়ে তারাটি ঘূর্ণায়মান হবে। তার নামানুসারে এই সীমার নামকরণ করা হয়েছে। ভর এর চাইতে বেশি হলে তারকাটি চুপসে কৃষ্ণবিবরে পরিণত হবে।

চন্দ্রশেখরের লেখা উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে- অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য স্টাডি অব স্টেলার স্ট্রাকচার, প্রিন্সিপলস অব স্টেলার ডাইনামিক্স, রেডিয়াটিভ ট্রান্সফার, প্লাজমা ফিজিক্স, দ্য ম্যাথমেটিক্যাল থিওরি অব ব্ল্যাক হোলস, ট্রুথ অ্যান্ড বিউটি : অ্যাসথেটিকস এ্যান্ড মোটিভেশনস ইন সায়েন্স এবং নিউটন’স প্রিন্সিপিয়া ফর দ্য কমন রিডার।

তিনি অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন। উল্লেখযোগ্য পুরস্কার হল- পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার (১৯৮৩), কপলি মেডেল (১৯৮৪) ও ন্যাশনাল মেডেল অব সাইন্স (১৯৬৭)।

সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে ১৯৯৫ সালের ২১ আগস্ট মারা যান।

উইকিপিডিয়া অবলম্বনে।

(দ্য রিপোর্ট/ডব্লিউএস/এনআই/অক্টোবর ১৯, ২০১৫)