প্রচ্ছদ » গণমাধ্যমের খবর » বিস্তারিত

শুভ জন্মদিন মশিউর রহমান ও রণক ইকরাম

২০১৫ অক্টোবর ১৯ ০৯:৪৯:১৫
শুভ জন্মদিন মশিউর রহমান ও রণক ইকরাম

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : দৈনিক যুগান্তরের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক (অনলাইন ইনচার্জ) মশিউর রহমান ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক রণক ইকরামের জন্মদিন ১৯ অক্টোবর। মশিউর ও রণককে জম্মদিনের শুভেচ্ছা। শুভ জন্মদিন।

মশিউর রহমান : ১৯৬৭ সালের এই দিনে ঠাকুরগাঁও জেলা সদরের পাইকপাড়া গ্রামে মশিউর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মৃত আব্দুল করিম ও মা আমেনা খাতুনের সাত সন্তানের মধ্যে তিনি পঞ্চম।

মশিউর ১৯৮৪ সালে জামালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি, ১৯৮৬ সালে রংপুর কারমাইকেল কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি, একই কলেজের বাংলা বিভাগ থেকে ১৯৯০ সালে অনার্স ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ১৯৯২ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

ছাত্রাবস্থায় ১৯৮৮ সালে রংপুরের দৈনিক পরিবেশ-এ নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে যোগদানের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন মশিউর। এরপর কাজের ধারাবাহিকতায় ১৯৯১ সালে রাজশাহীর দৈনিক বার্তায় নিজস্ব প্রতিবেদক, ১৯৯৩ সালে বার্তা সংস্থা নিউজমিডিয়ায় নিজস্ব প্রতিবেদক, ১৯৯৬ সালে দৈনিক আল-আমীনে নিজস্ব প্রতিবেদক, ২০০০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দৈনিক বাংলাবাজারে নিজস্ব প্রতিবেদক এবং পরবর্তী সময়ে জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ও প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে সাংবাদিকতা করেন। ২০১৩ সালের মার্চে দৈনিক যুগান্তরে জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক (অনলাইন ইনচার্জ) হিসেবে তিনি যোগ দেন। বর্তমানে তিনি এ পদেই কাজ করছেন পত্রিকাটিতে।

মশিউর রহমান ১৯৯৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর নাছিমা খাতুনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। নাছিমা একজন সরকারি কর্মকর্তা। তাদের দুই ছেলে মাহফুজুর রহমান মাসুম ও নাজিম মাহমুদ মাসুদ।

মশিউর রহমান দ্য রিপোর্টকে জানান, তার পছন্দের রং সবুজ ও ফুল রক্তজবা। খেতে ভালোবাসেন পাবদা মাছ ও সবজি। আর অবসর সময়ে এই সাংবাদিক লেখালেখি করতে ও টিভি নাটকে অভিনয় করতে পছন্দ করেন। জম্মদিন উপলক্ষে তেমন কোনো আয়োজন নেই। পারিবারিকভাবে স্বল্প পরিসরে দিনটি পালিত হবে।

মশিউর রহমান সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বিভিন্ন মেয়াদে দফতর সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রণক ইকরাম : ১৯৮৬ সালের ১৯ অক্টোবর কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার শঙ্কুচাইল গ্রামে রণক ইকরাম জন্মগ্রহণ করেন। বাবা রেজাউল করিম ও মা মনোয়ারা বেগমের দুই সন্তানের মধ্যে তিনি বড়। তার প্রকৃত নাম ইকরাম উল করীম। রণক ইকরাম নামেই সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করেন তিনি।

রণক ২০০৩ সালে শঙ্কুচাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি, ২০০৫ সালে নটরডেম কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগ থেকে ২০১০ সালে অনার্স ও একই বিভাগ থেকে ২০১২ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

রণক ইকরাম ছাত্রাবস্থায় ২০০৩ সালে দৈনিক যুগান্তরের রম্য মাগাজিন ‘বিচ্ছু’তে প্রদায়ক হিসেবে যোগদানের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। একই সঙ্গে তিনি বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রদায়ক হিসেবেও লেখালেখি করেন। ২০০৫ সালে তিনি পাক্ষিক তারকালোকে নিজস্ব প্রতিবেদক ও ২০১০ সালের ৭ মার্চে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনে শিক্ষানবিস সহ-সম্পাদক পদে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি একই পত্রিকায় জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক পদে উন্নীত হন। বর্তমানে রণক পত্রিকাটির ‘রকমারি পাতা’ ও ‘লাইফস্টাইল’ বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি স্কুলে পড়ার পাশাপাশি ছড়া, কবিতা লিখতেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৬ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় তার লেখা প্রথম রম্য ছড়ার বই ‘আলগা পীরিত’ প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া তার লেখা মোট ২৬টি বই প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে— কাব্যগ্রন্থ ‘মেঘফুল তোমার জন্য’, উপন্যাস ‘অন্য মানবী’, নন ফিকশন সিরিজ ‘অবাক পৃথিবী- প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড’, শিশুতোষ গ্রন্থ ‘ইফতি গাছের সঙ্গে কথা বলে’, রহস্য বিষয়ক ‘পুতেন খামেনের মমী রহস্য’, সাত রহস্য, অভিশাপ ইত্যাদি।

রণক ইকরাম ২০১৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ফেরদৌস আরা টুম্পার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

তিনি জানান, তার পছন্দের রং কালো ও নীল এবং ফুল লাল গোলাপ। খেতে ভালোবাসেন ইলিশ মাছ, আলু ভাজি ও ডিম। আর অবসর সময়ে এই সাংবাদিক লেখালেখি করতে, গান শুনতে ও নেট ব্রাউজিং করতে পছন্দ করেন।

রণক জানান, জম্মদিন উপলক্ষে তেমন কোনো আয়োজন নেই। বাসায় দুই চারজন বন্ধুবান্ধব আসবেন।

(দ্য রিপোর্ট/কেএ/এইচএইচ/এনআই/অক্টোবর ১৯, ২০১৫)